নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ সময়ে এসে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের ‘দেয়াল ঘড়ি’ প্রতীকের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ। ৮ ফেব্রুয়ারি রোববার বিকেলে জগন্নাথপুর পৌর শহরের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শেখ মুশতাক আহমদ বলেন, জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসনে শুরু থেকেই ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। তবে একাধিক দফা চেষ্টা সত্ত্বেও জোটের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তার মতে, এই আসনে জোটের একক প্রার্থী থাকলে জয় প্রায় নিশ্চিত ছিল, কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতার কারণে আসনটি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, ‘একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেলেও দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছি। তবে আমরা কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেব না।’সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিস জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, জগন্নাথপুর পৌর শাখার সভাপতি সুহেল আহমদ চুনু, শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনসহ দলটির স্থানীয় নেতারা।প্রসঙ্গত, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। আসনটি নিয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়। এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।বর্তমানে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা অ্যাডভোকেট শাহীনুর পাশা (রিকশা প্রতীক) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল প্রতীক) নির্বাচনি মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এ ছাড়া এই আসনে বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।