• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১০ই মাঘ ১৪৩২ রাত ১০:৪৪:১৭ (23-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:

‘উত্তরা ক্লাবে’র বার্ষিক বনভোজন ও পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতায় রাজধানীর অভিজাত ক্লাব ‘ উত্তরা ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও বর্ণিল আয়োজনে মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৩ জানুয়ারি শুক্রবার ঢাকার কিছুটা অদূরে পূর্বাচল জলসিড়ি আবাসন রোড ফর্টিস স্পোর্টস গ্রাউন্ড পূর্বাচলে জমজমাট এবং উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী বার্ষিক এ বনভোজনটি অনুষ্ঠিত হলো।ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফয়সাল তাহের দিনভর এ আনন্দময় আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।এসময় ক্লাবের ডিরেক্টরসহ প্রায় ২ হাজার মেম্বারের পরিবার বর্গ ও তাদের আত্মীয় স্ব-জনের সাথে নিয়ে এক অভূতপূর্ব মিলনমেলায় পরিপূর্ণ করে বনভোজন প্রাঙ্গণ।সকাল ১০টার দিকে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফয়সাল তাহের, ডাইরেক্টর এডমিন ক্যাপ্টেন ফারিয়াল বিলকিস, ডাইরেক্টর ফিন্যান্স সালমান মাহমুদ  সহ অন্যান্য ডাইরেক্টররা বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা উৎসবের উদ্বোধন করেন।সকালের নাস্তা পর এরপর একে একে অনুষ্ঠিত হতে থাকে উৎসবমুখর বিভিন্ন ইভেন্ট। নামাজের বিরতির আগ পর্যন্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলো, ৬-৯ বছর পর্যন্ত বালকদের ৩০ মিটার দৌড়, ৯-১২ বছর পর্যন্ত বালকদের ৩০ মিটার দৌড়, ৬-৯ বছর পর্যন্ত বালিকাদের মহিলাদের জন্য চেয়ার পাসিং অনুষ্ঠিত হয়।মধ্যাহ্ন ভোজ বিরতির পর বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে।বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পতুল নাচ। পিকনিকের বিশেষ আয়জনে ছিল রেফেড্র এর মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার।এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল- বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন প্রকৃতির খেলাধুলার সামগ্রী ইত্যাদি। চা-কফির পাশাপাশি মুখরোচক বর্ণিল খাবারের মধ্যে ছিলো, ঝালমুড়ি, চটপটি, ফুচকা, হাওয়াই মিঠাই, চিকন জিলাপি, খই ইত্যাদি। অনুষ্ঠান সম্পর্কে এক প্রতিক্রিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম বলেন, আমাদের পারিবারিক জীবনের দ্বিতীয় হোম হচ্ছে এই চ্যারিটেবল ক্লাব, দেশের বিভিন্ন ঐতিহ্য ও কৃষ্টি কালচারকে ধারণ বাহন করে বাৎসরিক এই বনভোজন একটি বাড়তি আনন্দের মাত্রা যোগ করে থাকে। পরিবার-পরিজন নিয়ে এ আয়োজনটি সত্যিই উপভোগ্য।আরেক সিনিয়র মেম্বার মিডিয়া ব্যক্তিত্ত্ব মোবারক হোসেন বলেন, পারিবারিক একটি মিলন মেলার এই ক্লাবটিকে আমরা সুন্দর সময়োপযোগী করে সাজাতে চাই, সবাই কে ক্লাব মুখী করতে চাই। আমাদের জন্য একটি স্বস্তির বিনোদন কেন্দ্র হতে পারে ক্লাব প্রাঙ্গণ। এই ক্লাবের সব আয়োজন -ই চোখে পড়ার মতো হয়ে থাকে।বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলার এ উৎসবকে সংগঠনের ঐতিহ্য এবং রীতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানমালা আমাদের ঐতিহ্যের অহংকার। প্রতিবছর শীতকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা উৎসব শহরের ইট পাথরের একঘেয়েমি জীবনযাত্রা থেকে বের করে সকলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও আত্মার সম্পর্ক সৃষ্টি করবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ফয়সাল তাহের বলেন, আমার ক্লাবের ডাইরেক্টর এডমিন, বনভোজন উদযাপন কমিটির পরিচালকসহ পিকনিকের সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিক দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে শীতকালীন তথা বনভোজনের এমন আয়োজন করা দরকার, এ বারের আজকের পিকনিক অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য। তিনি আগত উপস্থিত সবাই কে অভিনন্দন জানান।


দর্শনীয় স্থান


জেলার ইতিহাস