• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২রা আষাঢ় ১৪৩৩ বিকাল ০৪:৩৩:৪৮ (16-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
সংবাদ ছবি

আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় ড. আবুল বারকাতের জামিন

অনলাইন ডেস্ক: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।১৬ জুন মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।আদালত সূত্রে জানা যায়, গত রোববার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার জামিন শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম যেকোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।জানা গেছে, অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা আটকাদেশ না থাকায় ড. আবুল বারকাতের কারামুক্তিতে বর্তমানে কোনো আইনগত বাধা নেই।এর আগে গত ১০ জুলাই রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।পরবর্তীতে গত ৭ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান তিনি। তবে কারামুক্ত হওয়ার আগেই আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে ডিবি পুলিশ।পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা ও নির্দেশনা প্রদানে ড. আবুল বারকাত জড়িত ছিলেন।মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানার নীলক্ষেত এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের শ্যালক আব্দুর রব বাদী হয়ে একই বছরের ২১ আগস্ট নিউমার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।