• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৬শে ফাল্গুন ১৪৩২ বিকাল ০৪:৪০:০২ (10-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। আমরা মানুষের আস্থার মর্যাদা দিতে কাজ করছি। আমরা যে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছি।’১০ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, এক মাসের কম সময়ে আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রেখেছি। যে প্রতিশ্রুতিগুলো জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করবে, তা ধীরে ধীরে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুপরিমাণও সরে আসিনি। হয়তো ক্ষেত্র বিশেষে সময় লাগবে।এর আগে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান মঞ্চে ছিলেন।কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, দেশের বিশিষ্ট নাগরিকেরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।শুরুতে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। এ জন্য প্রতিটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক মান নির্ণয়ের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি থানার তথ্য যাচাইয়ে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যাক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।এছাড়া ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, পরিবারের ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাইকৃত তালিকা উপজেলা কমিটি কর্তৃক অধিকতর যাচাইপূর্বক উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।