• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৬ই চৈত্র ১৪৩২ বিকাল ০৫:২১:০০ (20-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরের ১০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরের ১০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুর জেলার তিন উপজেলার ১০টি গ্রামের আট শতাধিক পরিবার আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।২০ মার্চ শুক্রবার সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এসব এলাকায় ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দেশের অন্যান্য স্থানে ঈদ পালনের একদিন আগেই তারা ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে উৎসব উদযাপন করেন।প্রতিবছরের মতো এবারও কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজি ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়ি, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদ এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া এই ছয় গ্রামে প্রায় ৭০০ পরিবার, কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নে ৭৫ থেকে ৮০টি পরিবার, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫টি পরিবার এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০টি পরিবার আগাম ঈদ উদযাপন করেছেন।এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, এটি তাদের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের অংশ। প্রতিবছরই তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদ পালন করে আসছেন।জানা গেছে, হজরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা প্রায় ১৫০ বছর ধরে এ প্রথা অনুসরণ করছেন। তার অনুসারীরাই পিরোজপুরের এসব গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন করে থাকেন, যা এলাকায় ভিন্নধর্মী ধর্মীয় চর্চার একটি নজির হিসেবে বিবেচিত।