• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৯শে আষাঢ় ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৭:১৬:৪৫ (03-Jul-2026)
  • - ৩৩° সে:
ব্যান্ড পার্টি ও পালকি নিয়ে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অভিনেতা শম্ভু

ব্যান্ড পার্টি ও পালকি নিয়ে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অভিনেতা শম্ভু

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে। ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম হলেও শিল্পীদের উপস্থিতি, প্রার্থীদের শুভেচ্ছা বিনিময়, ফুল দিয়ে ভোটার বরণ এবং গণমাধ্যমের সরব উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে এফডিসি।৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এবার ৫৭৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।ভোটকেন্দ্রে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিভিন্ন পদের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা। এফডিসির প্রধান ফটকে কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদপ্রার্থী শিপন মিত্র ও চিত্রনায়িকা জলি ভোটারদের শুভেচ্ছা জানান। তারা দুজনই শিবা সানু–জয় চৌধুরী প্যানেলের প্রার্থী।সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভোট দিতে এফডিসিতে আসেন অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ হোক। নির্বাচনের পর তো আমরা সবাই এক। কোনো বিভেদ না থাকুক।’তবে দিনের সবচেয়ে আলোচিত উপস্থিতি ছিল অভিনেতা শম্ভু সরকার সঞ্জয়ের। ব্যান্ড পার্টি ও পালকির শোভাযাত্রা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। সোনালি পোশাক, কাঁধে শাল এবং হাতে লাঠি নিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে ভিড় করেন শিল্পী, দর্শনার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।নিজের ব্যতিক্রমী আয়োজনে ভোট দিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে শম্ভু সরকার সঞ্জয় বলেন, ‘শিল্পী সমিতির নির্বাচন মানেই উৎসব। প্রার্থীদের উৎসব, ভোটারদের উৎসব। তাই প্রতিবারই দিনটিকে ঘিরে আমার অনেক পরিকল্পনা থাকে। কখনো ঘোড়ায় চড়ে, আবার কখনো সৈন্য নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। এবার এসেছি পালকি নিয়ে।’এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি প্রার্থী শিবা সানু ও সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জয় চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন পদে ১০ জনের বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।উল্লেখ্য, গত মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার কোনো পদেই প্রার্থী হননি। ফলে ৫৭৩ জন ভোটারের রায়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হতে যাচ্ছে।