• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩ রাত ১১:১৪:২৬ (04-May-2026)
  • - ৩৩° সে:
ইসলামপুর পৌরসভায় সুপেয় পানির প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

ইসলামপুর পৌরসভায় সুপেয় পানির প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও নির্মাণ শেষ হয়নি।ইসলামপুর পৌর প্রকৌশলী ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকার এই প্রকল্পে ২ হাজার ৪ শত পরিবারকে নিরাপদ পানির আওতায় আনার পরিল্পনা নেওয়া হয়। দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস আর কর্পোরেশন কাজটি পায়। তবে প্রকল্পের কাজ সামান্য অগ্রগতি হলেও ইতোমধ্যে ৩ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮৩২ টাকা বিল উত্তোলনের করা হয়েছে।জানা গেছে, পৌর এলাকার পাটনিপাড়া, বেপারীপাড়া, দরজীপাড়া, বোয়ালমারী, কুড়িপাড়া, খালেপাড়া, থানামোড়, নটারকান্দা, ফকিরপাড়া, মাজারবাড়ী, উত্তর ও দক্ষিণ দরিয়াবাদ এবং ঠাকুরগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি সরবরাহের আংশিক পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। তবে অধিকাংশ এলাকায় এখনো পানি সরবরাহ শুরু হয়নি। কোথাও পাইপ বসিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।ভুক্তভোগী তারা হোসেন মাস্টার, মতি শেখ, লিয়াকত হোসাইন ও শফিকুল ইসলাম জানান, ‘পৌরসভা থেকে আমাদের বলা হলো, ৫শ’ টাকা জমা দিলে দ্রুত বাড়িতে পানির লাইন আসবে। আমরা নিরাপদ পানি পাওয়ার আশ্বাসে টাকা দিয়েছি। এতদিন হয়ে গেল পানির কোনো খবর নেই।’মাছুমা আক্তার মিলি ও নাজমা বেগম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় আয়রন যুক্ত পানি থাকায়, সুপেয় পানির লাইন দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সুপেয় পানির দেখা মেলেনি।’স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পে নিম্নমানের পাইপ ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক স্থানে সংযোগের আগেই পাইপ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে পুরো পানি সরবরাহ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আরিফুল হক শাকিল জানান, ‘কাজ যতটুকু করেছি তার পুরো বিল এখনো পাইনি। বর্তমানে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।’উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ চলমান। ধাপে ধাপে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া এটা পৌরসভা আওতাধীন।’ইসলামপুর পৌরসভা সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোফাখখারুল ইসলাম জানান, ‘পরীক্ষামূলকভাবে পানি সরবরাহ করা হয়েছে। যারা লাইন পাননি তারা পর্যায়ক্রমেই সংযোগ পাবেন। তবে আমি যোগদান করার পর থেকে কোনো বিল দেওয়া হয়নি।’