• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ১০ই আষাঢ় ১৪৩৩ রাত ০৮:৪৩:৫৫ (24-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অস্ত্র লুট, চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অস্ত্র লুট, চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: চীনা প্রতিষ্ঠানে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অস্ত্রের লাইসেন্সধারী ব্যক্তিদের ফাঁদে ফেলে ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া দুটি শর্টগান, একটি এয়ারগান, ৩৮ রাউন্ড শর্টগানের গুলি, একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস, একটি ওয়াকিটকি এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।২৪ জুন বুধবার ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর ভাটারা, বাড্ডা ও বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ এই প্রতারক ও অস্ত্র ছিনতাইকারী চক্র অনলাইনে চীনা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ভিআইপি ব্যক্তির নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে উচ্চ বেতনের চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করত। এসব বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে পড়ে অস্ত্রের লাইসেন্সধারী চার ব্যক্তি পৃথকভাবে নিজেদের বৈধ অস্ত্র নিয়ে চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে প্রতারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।পরবর্তীতে চক্রের সদস্যরা তাদের ভুয়া নম্বরপ্লেটযুক্ত একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে চোখ-মুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে ভুক্তভোগীদের রূপগঞ্জের ১০০ ফুট ও ৩০০ ফুট সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত একই কৌশলে সংঘটিত চারটি পৃথক ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় তিনটি এবং ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এসব ঘটনার তদন্তে জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া তিনটি অস্ত্র, ৩৮ রাউন্ড গুলি এবং অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অস্ত্র ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।