• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ৬ই আষাঢ় ১৪৩৩ সকাল ০৯:৩৭:৪২ (20-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

অনলাইন ডেস্ক: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বড় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। তবে প্রশাসনের আধুনিকায়ন, অটোমেশন ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।১২ জুন শুক্রবার সিপিডি আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।তিনি বলেন, উন্নয়ন বাজেটে থোক বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে ব্যয়ের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ বাড়লে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বিদেশি ঋণের প্রসঙ্গে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের সঙ্গে বিদেশি ঋণ ব্যবহার করা না গেলে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ ও বাস্তবসম্মত মুদ্রানীতি গ্রহণ করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি আরও কিছুদিন অব্যাহত রাখার প্রয়োজন রয়েছে।তিনি আরও বলেন, সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না পেলে মূল্যস্ফীতি কমানোর লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করলেও কৃষি খাতে বরাদ্দ কমে যাওয়াকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।নিম্নআয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বাড়ছে উল্লেখ করে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে করমুক্ত আয়সীমা আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল।বাজেটে করের ক্ষেত্রে ব্যাপক ছাড় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পের জন্য কর রেয়াত এবং আমদানি পর্যায়ে কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগও রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে।