• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ১৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:৩১:২০ (29-Apr-2026)
  • - ৩৩° সে:
শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকার মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।২৯ এপ্রিল বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলালের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। এদিন মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।প্রশ্নে রুহুল আমীন দুলাল বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যাহারা শহীদ হইয়াছে এবং যাহাদের গণহত্যা করা হইয়াছিল, তাহাদের তালিকা করা হইবে কি না?’জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের গেজেটের ক্যাটাগরি অনুযায়ী শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা হলো—শহীদ বেসামরিক গেজেট ৩ হাজার ৬৯৮ জন, সশস্ত্র বাহিনী শহীদ গেজেট ১ হাজার ৫৪১ জন, শহীদ বিজিবি গেজেট ৮১৭ জন; শহীদ পুলিশ গেজেট ৪২৩ জন; শহীদ আনসার বাহিনী গেজেট ১ জন। মোট ৬ হাজার ৪৮০ জন। এ ছাড়া গেজেটভুক্ত শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা ৫৬০ জন।মন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, স্বাধীনতার এত বছর পরেও তাদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা অর্জন করেছি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।ওই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ।এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সব শহীদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রদান সম্ভব হবে।