• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২০শে মাঘ ১৪৩২ রাত ১১:২৭:২৫ (02-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
“আর কোনো দাবি নেই, নবম পে-স্কেল চাই” কুবি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

“আর কোনো দাবি নেই, নবম পে-স্কেল চাই” কুবি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

কুবি প্রতিনিধি : নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে বৈষম্য ও প্রহসনের প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ১১ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা। বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালিত হয়।২ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মবিরতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি এ কে এম কামরুল হাসান বলেন, “বাংলাদেশের একজন কর্মচারী শখ করে এক কেজি গরুর মাংস কিনে খেতে পারেন না। সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধান উপদেষ্টা দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবেন।”আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এবং কুবি কর্মচারী সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “আমাদের বেতন মাসের ১০ দিন পার না হতেই শেষ হয়ে যায়। বাকি দিনগুলো ঋণ করে চলতে হয়। একজন রিকশাচালক প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা আয় করলেও আমরা সরকারি চাকরি করেও সেই পরিমাণ আয় করতে পারি না। বাজারদর ঊর্ধ্বগতির কারণে জীবনযাপন দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।”চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, “নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের কর্মবিরতি কর্মসূচি চলমান থাকবে।”আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং কুবি তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ আলম বলেন, “সর্বশেষ ২০১৫ সালে যে পে-স্কেল দেওয়া হয়েছিল, তাতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। ২০ থেকে ১৯ গ্রেডে বেতনের পার্থক্য মাত্র ২৭০ থেকে ৫০০ টাকা হলেও ১১তম থেকে নবম বা দশম গ্রেডে এই ব্যবধান ৪ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।”তিনি আরও বলেন, “নবম পে কমিশন গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। পে-স্কেলের স্বপ্ন দেখিয়েছেন আপনি, কমিশনও গঠন করেছেন আপনি। তাই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দায়িত্বও আপনাকেই নিতে হবে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে সারাদেশের কর্মচারীরা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।”