• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৮শে মাঘ ১৪৩২ দুপুর ১২:৩৬:২৬ (10-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
অধিকৃত পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সঙ্গে থাকুক চায় না ট্রাম্প

অধিকৃত পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সঙ্গে থাকুক চায় না ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত (অ্যানেক্সেশন) করার বিরোধিতা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন বলে সোমবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা বলেন, “একটি স্থিতিশীল পশ্চিম তীর ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং এই প্রশাসনের আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ রোববার অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ আরও সম্প্রসারণের নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেন। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের জন্য ইসরায়েলিদের জমি অধিগ্রহণ আরও সহজ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ।ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আটটি মুসলিম-প্রধান দেশ। সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, এসব “অবৈধ ইসরায়েলি সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ” ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর বেআইনি সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বসতি স্থাপন কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হচ্ছে এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে একটি নতুন আইনগত ও প্রশাসনিক বাস্তবতা তৈরি করা হচ্ছে, যা অবৈধ সংযুক্তিকরণ ও ফিলিস্তিনি জনগণের বাস্তুচ্যুতির প্রচেষ্টাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, যুক্তরাজ্য ও স্পেনও ইসরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দায় যোগ দিয়েছেন। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক জানান, গুতেরেস এসব পদক্ষেপকে “অস্থিতিশীলতামূলক” আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।যুক্তরাজ্য সরকার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, “পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। ফিলিস্তিনের ভৌগোলিক বা জনমিতিক কাঠামো একতরফাভাবে পরিবর্তনের যেকোনো চেষ্টা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।”