• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৬ই চৈত্র ১৪৩২ সন্ধ্যা ০৬:১৭:৪২ (20-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কবিরাজের

চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কবিরাজের

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরে নিঃসন্তান এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অপরাধে মোজা শেখ ওরফে মোজা কবিরাজ নামের এক ব্যক্তিকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ রায় প্রদান করে। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত মোজা কবিরাজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।দণ্ডপ্রাপ্ত মোজা শেখ মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর শেখপাড়ার মৃত হযরত আলীর ছেলে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করে।মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন রায় প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলে, নিঃসন্তান এক গৃহবধূ চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়। আজ ওই মামলায় আদালত চূড়ান্তভাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেছে। এ রায়ের মাধ্যমে সমাজে ধর্ষণের প্রবণতা কমে আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার চিতল গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি সন্তান লাভের আশায় মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে কবিরাজ মোজা শেখের কাছে চিকিৎসা নিতে আসে। এ সময় কবিরাজ মোজা শেখ চিকিৎসার নামে স্বামী ও স্ত্রীকে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে অজ্ঞান করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।ঘটনার পর ভুক্তভোগী দম্পতি ২০২১ সালের ৩ মার্চ মেহেরপুর সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। পুলিশ মামলার তদন্ত শুরু করে ঘটনার সত্যতা পায়। পরে মেহেরপুর সদর থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ্ দারা খান ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর কবিরাজ মোজা শেখকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত অভিযুক্ত কবিরাজ মোজা শেখকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।