• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ রাত ০৮:২১:৪৬ (18-May-2026)
  • - ৩৩° সে:

৩৯০ রানে অলআউট বাংলাদেশ, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

১৮ মে ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:১২:৫২

৩৯০ রানে অলআউট বাংলাদেশ, বিশ্বরেকর্ড গড়ে জিততে হবে পাকিস্তানকে

স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথম ইনিংসে টপ অর্ডার ব্যর্থতার পরও লিটন দাসের সেঞ্চুরি আর বোলারদের কল্যাণে লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ। এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন টাইগার ব্যাটাররা। বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম দুর্দান্ত ছিলেন। তার রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৯০ রান করেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে স্বাগতিকরা লিড পেয়েছে ৪৩৬ রানের। তাই পাকিস্তানকে জিততে হলে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হবে। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রানের লক্ষ্য জয়ের বিশ্বরেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে।

Ad
Ad

১৮ মে সোমবার তৃতীয় দিন ১৫৬ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। আগের দিন মুমিনুল হক মাঠ ছাড়তেই দিনের শেষ ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৩ রানে অপরাজিত থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ক্রিজে নামেন মুশফিকুর রহিম।

Ad

দিনের পঞ্চম ওভারে বাংলাদেশ উইকেট হারায়। শান্ত ৪৬ বলে ১৫ রান করে খুররম শাহজাদের কাছে এলবিডব্লিউ হন। রিভিউ নিয়েও টিকতে পারেননি অধিনায়ক। ক্রিজে নামেন লিটন দাস। ৪১তম ওভারের তৃতীয় বলে তার সিঙ্গেলে বাংলাদেশ লিড নেয় ২০০ রানের। দুজনে মিলে ৮৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন। লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ছিল ২৪৯ রানের।

লাঞ্চের পর চতুর্থ বলেই লিটন দাস পেয়ে যান ২০তম হাফ সেঞ্চুরি। ৫৪ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলে সর্বোচ্চ রান করলেন ডানহাতি ব্যাটার। এতদিন এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৯৩ রান করেছিলেন লিটন, ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুরে। ওইবার প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রান করেন, দ্বিতীয় ইনিংসে ৫২ রান। লিটন এই টেস্টে ১৯৪ রান করার পর মুশফিকুর রহিম ১০৩ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩০তম ফিফটি করেন।

৬ বলে ৪৮ রান করে প্রথম সেশন শেষ করেন লিটন। দ্বিতীয় সেশনে নেমে নিজের প্রথম বলেই পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন তিনি। মিরপুরে ৩৩ ও ১১ রান করা এই ডানহাতি ব্যাটার সিলেটে দুটি ইনিংসেই পঞ্চাশের ঘরে পৌঁছালেন। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাটেই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায়। তার একার লড়াইয়ে ২৭৮ রান করেছিল। ১৫৯ বলে ১২৬ রান করেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে থেমেছেন লিটন। এরপর মেহেদি মিরাজ উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩৯ বল খেলে ১৯ রান করেছেন তিনি।

বাকি দুই ফরম্যাট থেকে অবসর নিলেও টেস্ট ক্রিকেটে খেলে যাচ্ছেন মুশফিক। হয়তো তার সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাট এই লাল বলের ক্রিকেট। তাইতো ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে দাঁড়িয়েও দুর্দান্ত ফর্মে এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। সিরিজের প্রথম টেস্টের পর দ্বিতীয় টেস্টেও তার ব্যাটে রান। সিলেটে দ্বিতীয় ইনিংসে পেয়েছেন তিন অঙ্কের দেখা।

১৭৮ বল খেলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেছেন মুশফিক। এই ইনিংস খেলতে ৯টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। এটি টেস্টে তার ১৪তম সেঞ্চুরি। লাল বলের ক্রিকেটে এখন বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ২৩৩ বলে ১৩৭ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

মুশফিককে শেষদিকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। তিনি ৫১ বলে করেছেন ২২ রান। এ ছাড়া তাসকিন আহমেদ ১৩ বলে ৬ ও শরিফুল ইসলাম ১২ রান করেছেন ১৫ বল খেলে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ


বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ২৮ মে
বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ২৮ মে
১৮ মে ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫০:১৭










Follow Us