• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২০শে চৈত্র ১৪৩২ দুপুর ১২:৩৫:৪৬ (03-Apr-2026)
  • - ৩৩° সে:

নওগাঁয় অবৈধভাবে পশুখাদ্য উৎপাদনের দায়ে জরিমানা

৩ এপ্রিল ২০২৬ সকাল ০৯:১৬:৪১

নওগাঁয় অবৈধভাবে পশুখাদ্য উৎপাদনের দায়ে জরিমানা

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ সদর উপজেলায় অবৈধভাবে পশুখাদ্য উৎপাদন মিলে অভিযান পরিচালনার সময় তোপের মুখে পড়েন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে এসময় মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) পশুখাদ্য উৎপাদনের স্বপক্ষে প্রমাণস্বরূপ কোন ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয়েছে।

২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় সদর উপজেলার রজাকপুর (মল্লিকা ইনের পাশে) এলাকায় সাদ গুড়া ও চালনি মিলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন- সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান।

Ad
Ad

অভিযানের সময় মিলে গিয়ে দেখা যায়- দুটি গুদামে ধানের গুড়া (তুষ) স্তূপ করে রাখা আছে। সেখানে শ্রমিকরা কাজ করছেন। এ তুষ থেকে পশু খাদ্য তৈরির জন্য বস্তা প্যাকেটজাত করা হচ্ছিল। আশপাশের কাউকে এ কারখানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না।

Ad

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে জরিমানার ঠিক আগ মুহুর্তে মতিউর মতিন নিজেকে গুড়া চালনি-মালিক মালিক সমিতির উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জরিমানা না করার জন্য অনুরোধ করেন। তারা দীর্ঘদিন এভাবেই ব্যবসা করে আসছেন বলেও জানান।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় রজাকপুর এলাকায় অনুমোদনবিহীন সাদ গুড়া ও চালনি মিলে পশুখাদ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। অভিযানের সময় তার সত্যতা পাওয়া যায়।

এসময় মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) পশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রমাণস্বরূপ কোন ধরনের লাইসেন্স বা কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ অপরাধে মিল মালিকের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এসময় সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামসহ সদর থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

মিল মালিক ওমর ফারুক (তপন) বলেন, শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে তিনটি মিলে গত প্রায় ১৫-২০ বছর থেকে ব্যবসা করে আসছি। যেখানে প্রায় ২০ জন নারী-পুরুষ কাজ করেন। সরকারি দপ্তর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে আমার জানা ছিলো না।

নওগাঁ গুড়া চালনি-মালিক মালিক সমিতির উপদেষ্টা মতিউর মতিন বলেন, আমরা যে এলাকায় ব্যবসা করি, সেখনাকার পৌরসভা বা ইউনিয়নের ট্রেড লাইসেন্স আছে। আর এভাবে আমরা গত ২৫-৩০ বছর থেকে ৩৬ জন ব্যবসায়ী ব্যবসা করে আসছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে এমনটা জানা ছিলো না বা কোনো দপ্তর আমাদের জানায়নি। আজ অভিযানের সময় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন লাইসেন্স করতে হবে। এটা আগে কেন আমাদের জানানো হলো না?

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ

চার জেলায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
চার জেলায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
৩ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১২:৩১:২৫



ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ
ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ
৩ এপ্রিল ২০২৬ সকাল ১১:৩৯:২০








Follow Us